- ইতিহাস
সৃষ্টির
ঊষালগ্ন থেকে জ্ঞানার্জন এবং শিক্ষার প্রতি ছিল মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা। তারই ধারাবাহিকতায়
১৯৩৭ সাল থেকে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত
হয় এবং শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৩৯ সালে প্রথমে ০৩ জন শিক্ষক নিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে
১২ জন ছাত্রসহ শ্রেণি কার্যক্রম চালু হয় কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও কোন ছাত্রী পাওয়া যায়নি।
সাতপাড় পশ্চিম পাড়ার নদীরাম কীর্ত্তনীয়ার একমাত্র পুত্র দীননাথ কীত্তনীয়া যার নামানুসারে
“দীননাথ ইংলিশ উচ্চ বিদ্যালয়” নামে ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীননাথ কীর্ত্তনীয়া
একজন সহজ, সরল ও সাধু স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তিনি নিরক্ষর কিন্তু বিদ্যানুরাগী ছিলেন।
তার ০৫ পুত্র যথাক্রমে রাজ বিহারী কীর্ত্তনীয়া, জলধর কীর্ত্তনীয়া, চক্রধর কীর্ত্তনীয়া,
কিরণ চন্দ্র কির্ত্তনীয়া এবং অতুল চন্দ্র কীর্ত্তনীয়া। মূলতঃ এই পঞ্চভ্রাত্রা এবং সাতপাড়
গ্রামসহ আসেপাশের ০৭-০৮টি গ্রামের তখনকার বরেণ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে এবং সাতপাড়ের
বাজার সংলগ্ন বিশ্বাস বাড়ির অনেক বরেণ্য ব্যক্তির জমিদানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম
শুরু হয়। জমিদাতা বিশ্বাস মহোদয় গণের অবদান অনস্বীকার্য । এছাড়াও তদানীন্তন সময়ের বালা
বংশসহ সাতপাড় গ্রামের অনেক গন্যমান্য ব্যক্তি স্কুল প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন
করেছেন। ১৯৪৩ সালে বিদ্যালয় থেকে ০৭ জন পরীক্ষার্থী ম্যাট্টিকুলেশন (প্রবেশিকা) পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করে ০১ জন দ্বিতীয় বিভাগসহ মোট ০৩ জন কৃতকার্য হন। ১৯৪৩ সালে ম্যাট্টিকুলেশন
পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর সাতপাড়ের মহানুভব ব্যক্তি বাবু গয়ালী চন্দ্র বিশ্বাস
ইংরেজ কোষাগারে নগদ ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা প্রদান করায় তার নাম ইংরেজ সরকারের নির্দেশনা
মোতাবেক বিদ্যালয়ের পরিবর্তীত নাম হয় “সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়”
। তদঅবধি প্রতি বছর এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফলসহ ক্রিড়া, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও অন্যান্য
কার্যক্রমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। এই বিদ্যালয়ের অনেক
ছাত্র-ছাত্রী দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছেন। আমরা বিশ্বাস রাখি দেশ ও জাতি গঠনে এই বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতেও অনন্য ভূমিকা পালন করবে।
- প্রধান শিক্ষকের বার্তা

বিস্তারিত...
- গুরুত্বপূর্ণ লিংক
- গুগল ম্যাপ
- জাতীয় সংগীত